খোশবাস , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ

খোশবাস কলেজ ছাত্রী করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা ভোমরকান্দি গ্রামে করোনাভাইরাস আক্রান্তের উপসর্গ নিয়ে এক কলেজ ছাত্রী (১৭) মারা গেছেন।শনিবার বিকেলে চান্দিনা উপজেলার ভোমরকান্দি গ্রামের নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু ঘটে। রাতে সতর্কতার সাথে তিনজন লোক পিপিই পরে ছাত্রীর দাফন কাজ সম্পন্ন করেন। স্থানীয় মসজিদের ঈমামসহ পরিবারের ৩/৪ জন অংশ নেন জানাজায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আহসানুল হক বলেন, ‘মারা যাওয়া ছাত্রীর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

চাচা মাইজখার ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার সফিকুর রহমান জানান, কলেজছাত্রী দুই-তিন সপ্তাহ ধরে জ্বর ও কাশিতে ভূগছিলেন। বাড়িতে চিকিৎসায় শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হলে গত সপ্তাহে রামমোহন বাজারে ডাক্তার দেখান। তারপরও জ্বর কমেনি, শুরু হয় শ্বাসকষ্ট।

সূত্র জানায়, বরুড়া উপজেলার খোসবাস কলেজের একাদশ শ্রেণীর এ ছাত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে শুক্রবার যোগাযোগ করা হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সাথে। তিনি মোবাইল ফোনেই পরামর্শ দেন একটি ইঞ্জেকশন দিতে। শনিবার সকালে তিনি ছাত্রীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন।

এদিকে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার পরামর্শে ছাত্রীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানে ভর্তি রাখা হয়নি। শুধু তার নমুনা সংগ্রহ করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। বাড়িতে পৌছার একঘন্টার মধ্যেই মারা যান কলেজছাত্রী

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

অনলাইন জরিপ

চামড়াশিল্পের চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে মনে করেন কি?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...

খালে ভাসমান বস্তায় মানুষের মরদেহ আছে বলে প্রচার, খুলে দেখা গেলো কুকুর

খোশবাস কলেজ ছাত্রী করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন

প্রকাশিতঃ ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২০

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা ভোমরকান্দি গ্রামে করোনাভাইরাস আক্রান্তের উপসর্গ নিয়ে এক কলেজ ছাত্রী (১৭) মারা গেছেন।শনিবার বিকেলে চান্দিনা উপজেলার ভোমরকান্দি গ্রামের নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু ঘটে। রাতে সতর্কতার সাথে তিনজন লোক পিপিই পরে ছাত্রীর দাফন কাজ সম্পন্ন করেন। স্থানীয় মসজিদের ঈমামসহ পরিবারের ৩/৪ জন অংশ নেন জানাজায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আহসানুল হক বলেন, ‘মারা যাওয়া ছাত্রীর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

চাচা মাইজখার ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার সফিকুর রহমান জানান, কলেজছাত্রী দুই-তিন সপ্তাহ ধরে জ্বর ও কাশিতে ভূগছিলেন। বাড়িতে চিকিৎসায় শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হলে গত সপ্তাহে রামমোহন বাজারে ডাক্তার দেখান। তারপরও জ্বর কমেনি, শুরু হয় শ্বাসকষ্ট।

সূত্র জানায়, বরুড়া উপজেলার খোসবাস কলেজের একাদশ শ্রেণীর এ ছাত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে শুক্রবার যোগাযোগ করা হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সাথে। তিনি মোবাইল ফোনেই পরামর্শ দেন একটি ইঞ্জেকশন দিতে। শনিবার সকালে তিনি ছাত্রীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন।

এদিকে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার পরামর্শে ছাত্রীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানে ভর্তি রাখা হয়নি। শুধু তার নমুনা সংগ্রহ করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। বাড়িতে পৌছার একঘন্টার মধ্যেই মারা যান কলেজছাত্রী