খোশবাস , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ

বরুড়া উপজেলার আড্ডা ইউনিয়নের জনপদে চলছে প্রকাশ্য জুয়া খেলা!

বরুড়া উপজেলাধীন আড্ডা ইউনিয়নের আড্ডা দক্ষিন পাড়ায় বিকাল হলেই শুরু হয় চায়ের দোকানে, খোলা জায়গায়, রাস্তার পাশে চলে নিশুতি রাত পর্যন্ত তাস খেলা। এই তাস খেলার অন্তরালে চলে জুয়া। প্রতিবার খেলায় নির্দিষ্ট পরিমান টাকা ধার্য থাকে যারা বিজয়ী হয় তারা সেই টাকা পায়।

জানা যায়, অধিকাংশ দিনমজুর সারাদিন হাড় ভাঙা খাটুনির পর দুইশ/তিনশ টাকা মজুরি পায়। তার অধিকাংশই তাস খেলে নষ্ট করে এবং বাড়িতে গিয়ে পরিবারের প্রয়োজনীয় চাহিদা মিটাতে ব্যর্থ হয় ফলে পারিবারিক অশান্তি বেড়েই চলেছে। এছাড়া আরো ভয়াবহ আকারে ক্যারামবোর্ডে বাজি খেলা এবং জুয়া চলছে। বিশেষকরে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা সন্ধ্যা থেকে শুরু করে রাত বারটা পর্যন্ত ক্যারাম খেলে। প্রতি গেম ১০-২০ টাকা করে ক্যারাম মালিককে দিতে হয়। এর মধ্যে অধিকাংশ জায়গায় বাজি ধরা এবং জুয়া খেলা হয়ে থাকে।
এভাবে শিক্ষার্থীরা নেশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছে। তাদের ক্যারাম খেলার এবং নেশার টাকা যোগাড় করতে পিতামাতাকে চাপ দেয় এমনকি অশোভন আচরণ করতে তারা দ্বিধাবোধ করেনা।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আড্ডা ইউনিয়নের (আড্ডা দক্ষিন পাড়ায়) চলছে নিয়মিত এসব তাস খেলার অন্তরালে জুয়ার আসর। যদি গভীর রাত পর্যন্ত এসব খেলা বন্ধ না করা হয় তাহলে ভবিষ্যত প্রজন্ম নেশাগ্রস্থ বেপরোয়া ও নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বে বলে সচেতন মহল মনে করেন। অভিভাবকসহ পুলিশ প্রশাসনের এখনই কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

অনলাইন জরিপ

চামড়াশিল্পের চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে মনে করেন কি?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...

খালে ভাসমান বস্তায় মানুষের মরদেহ আছে বলে প্রচার, খুলে দেখা গেলো কুকুর

বরুড়া উপজেলার আড্ডা ইউনিয়নের জনপদে চলছে প্রকাশ্য জুয়া খেলা!

প্রকাশিতঃ ১০:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২০

বরুড়া উপজেলাধীন আড্ডা ইউনিয়নের আড্ডা দক্ষিন পাড়ায় বিকাল হলেই শুরু হয় চায়ের দোকানে, খোলা জায়গায়, রাস্তার পাশে চলে নিশুতি রাত পর্যন্ত তাস খেলা। এই তাস খেলার অন্তরালে চলে জুয়া। প্রতিবার খেলায় নির্দিষ্ট পরিমান টাকা ধার্য থাকে যারা বিজয়ী হয় তারা সেই টাকা পায়।

জানা যায়, অধিকাংশ দিনমজুর সারাদিন হাড় ভাঙা খাটুনির পর দুইশ/তিনশ টাকা মজুরি পায়। তার অধিকাংশই তাস খেলে নষ্ট করে এবং বাড়িতে গিয়ে পরিবারের প্রয়োজনীয় চাহিদা মিটাতে ব্যর্থ হয় ফলে পারিবারিক অশান্তি বেড়েই চলেছে। এছাড়া আরো ভয়াবহ আকারে ক্যারামবোর্ডে বাজি খেলা এবং জুয়া চলছে। বিশেষকরে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা সন্ধ্যা থেকে শুরু করে রাত বারটা পর্যন্ত ক্যারাম খেলে। প্রতি গেম ১০-২০ টাকা করে ক্যারাম মালিককে দিতে হয়। এর মধ্যে অধিকাংশ জায়গায় বাজি ধরা এবং জুয়া খেলা হয়ে থাকে।
এভাবে শিক্ষার্থীরা নেশাগ্রস্থ হয়ে পড়ছে। তাদের ক্যারাম খেলার এবং নেশার টাকা যোগাড় করতে পিতামাতাকে চাপ দেয় এমনকি অশোভন আচরণ করতে তারা দ্বিধাবোধ করেনা।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আড্ডা ইউনিয়নের (আড্ডা দক্ষিন পাড়ায়) চলছে নিয়মিত এসব তাস খেলার অন্তরালে জুয়ার আসর। যদি গভীর রাত পর্যন্ত এসব খেলা বন্ধ না করা হয় তাহলে ভবিষ্যত প্রজন্ম নেশাগ্রস্থ বেপরোয়া ও নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়বে বলে সচেতন মহল মনে করেন। অভিভাবকসহ পুলিশ প্রশাসনের এখনই কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।