খোশবাস , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ

বরুড়ায় শতবর্ষী ঝুঁকিপূর্ণ টিনের ঘরে চলছে ভূমি অফিসের কার্যক্রম

বরুড়া উপজেলাধীন উত্তর খোশবাস ইউনিয়নের অন্তর্গত নবীপুর গ্রামের ভূমি অফিস দীর্ঘদিন যাবত নতুন ভবন না হওয়ার ফলে বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
একদিকে টিনের ঘর অন্যদিকে অনেক পুরনো ঘর হওয়ায় টিন ও কাঠের অবস্থা করুণদশা যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়, ভূমি অফিসটি খোশবাস উত্তর ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামে প্রায় ১০০ বছর পূর্বে নির্মাণ হওয়ার পর এখন পর্যন্ত নতুন কোন দালান কিংবা মেরামত কার্য না হওয়ার ফলে অফিসটি বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে।
খোশবাস উত্তর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী (নায়েব) মো. জিল্লুর রহমান জানান, আমি এ অফিসে যোগদানের পর থেকে অফিসের এমন দশা দেখে আসছি। আমার এবং অন্যান্য কর্মচারীরা অফিসের কাজ করতে গিয়ে নানা সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। টিনের ঘর হওয়ায় অনেক ঝুঁকিতে থাকতে হয়, তবে আশার বাণী হচ্ছে এই ঘরটি ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে তালিকাভুক্ত হয়েছে এবং এখানকার মাটি সয়েল টেস্ট করা হয়েছে তবে দ্রুত কাজটি শুরু হলে আমাদের সেবাদানে সুবিধা হবে।
ইলাশপুর গ্রামের হাজী মো. আব্দুর কাদির(৯০) বলেন, বৃটিশ আমলে এই ঘর তৈরী করা হয়েছে কিন্তু টিনের ঘর হওয়ায় কাগজপত্র অনেক ঝুঁকিতে থাকে এই ঘরটি। দ্রুত এই ঘরটি সরিয়ে ভবন করে দিলে ভূমি সেবা পেতে এলাকার মানুষের সহজ হবে।
Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

অনলাইন জরিপ

চামড়াশিল্পের চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে মনে করেন কি?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...

খালে ভাসমান বস্তায় মানুষের মরদেহ আছে বলে প্রচার, খুলে দেখা গেলো কুকুর

বরুড়ায় শতবর্ষী ঝুঁকিপূর্ণ টিনের ঘরে চলছে ভূমি অফিসের কার্যক্রম

প্রকাশিতঃ ০৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪
বরুড়া উপজেলাধীন উত্তর খোশবাস ইউনিয়নের অন্তর্গত নবীপুর গ্রামের ভূমি অফিস দীর্ঘদিন যাবত নতুন ভবন না হওয়ার ফলে বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
একদিকে টিনের ঘর অন্যদিকে অনেক পুরনো ঘর হওয়ায় টিন ও কাঠের অবস্থা করুণদশা যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়, ভূমি অফিসটি খোশবাস উত্তর ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামে প্রায় ১০০ বছর পূর্বে নির্মাণ হওয়ার পর এখন পর্যন্ত নতুন কোন দালান কিংবা মেরামত কার্য না হওয়ার ফলে অফিসটি বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে।
খোশবাস উত্তর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী (নায়েব) মো. জিল্লুর রহমান জানান, আমি এ অফিসে যোগদানের পর থেকে অফিসের এমন দশা দেখে আসছি। আমার এবং অন্যান্য কর্মচারীরা অফিসের কাজ করতে গিয়ে নানা সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। টিনের ঘর হওয়ায় অনেক ঝুঁকিতে থাকতে হয়, তবে আশার বাণী হচ্ছে এই ঘরটি ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে তালিকাভুক্ত হয়েছে এবং এখানকার মাটি সয়েল টেস্ট করা হয়েছে তবে দ্রুত কাজটি শুরু হলে আমাদের সেবাদানে সুবিধা হবে।
ইলাশপুর গ্রামের হাজী মো. আব্দুর কাদির(৯০) বলেন, বৃটিশ আমলে এই ঘর তৈরী করা হয়েছে কিন্তু টিনের ঘর হওয়ায় কাগজপত্র অনেক ঝুঁকিতে থাকে এই ঘরটি। দ্রুত এই ঘরটি সরিয়ে ভবন করে দিলে ভূমি সেবা পেতে এলাকার মানুষের সহজ হবে।