খোশবাস , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ

বরুড়ায় ব্রীজ নির্মাণে ধীরগতি, ভোগান্তিতে গ্রামবাসী!

  • ইউনুছ খান
  • প্রকাশিতঃ ১০:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০
  • ২০৯৫ বার পঠিত

ছবিঃ শরিফুল ইসলাম

কুমিল্লা জেলার বরুড়ায় চিতড্ডা ইউনিয়নের কাদুটি ও নবাবপুর প্রধান সড়কের জামতলা এলাকার ব্রীজ নির্মানের ধীর গতির কারনে ভোগান্তিতে এলাকাবাসী। 

প্রায় একযুগ বরুড়া উপজেলাধীন ঝলম বাজার থেকে চান্দিনা উপজেলার কাদুটি ও নবাবপুর প্রধান সড়কটির বেহালদশা ছিল, গত দুই মাস পূর্বে রাস্তাটির নতুন ভাবে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নির্মাণাধীন সড়কটির মাঝামাঝি চিতড্ডা ইউনিয়নের জামতলা ব্রীজটি বহু পুরাতন এবং ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ব্রীজটি নতুন করে নির্মাণ করার কাজ শুরু করেছে। চিতড্ডা ইউনিয়নের ওড্ডা, নোয়াপাড়া, চিতড্ডাসহ চান্দিনা থানায় প্রবেশের প্রধান সড়ক এই রাস্তাটি, বিভিন্ন স্থানে ব্রীজ নির্মাণ চলাকালীন সময়ে ব্রীজের পাশ দিয়ে বিকল্প রাস্তা নির্মান করে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় কিন্তুু জামতলা ব্রীজের পাশে বিকল্প পথ তৈরী করে না দেওয়ায় চিতড্ডা ইউপির হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে! গত দুই মাস যাবৎ অত্র গ্রামের মানুষগুলো প্রচন্ড দুর্ভোগে রয়েছে। চান্দিনা উপজেলার পশ্চিম দক্ষিনাঞ্চলের সাথে ফাঁড়ি সড়ক হওয়ায় এর গুরুত্ব দিন দিন বেড়ে চলছে।

প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ এই রাস্তায় ঝলম বাজার এবং বরুড়া উপজেলায় বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনী কাজে যাতায়াত করার প্রয়োজন হয়। ব্রীজের কাজ শুরু হওয়ার পর কাজের ধীরগতি হওয়ায় এবং ব্রীজের পাশে বিকল্প পথ না থাকার ফলে সাধারণ মানুষ সাইলঁচো গ্রামের বসত-বাড়ির উঠান দিয়ে বিকল্প রাস্তা খুঁজে নেয়, এতে সাইলঁচো গ্রামের মানুষ বিরক্তিকর প্রকাশ করেছে, যদিও পথযাত্রীরা সাইলঁচো গ্রামের রাস্তায় চলাচল করে তবে সাইকেল,মোটরসাইকেল, রিক্সা,ভ্যান তথা তিন চাকার গাড়ি ব্যতিত অন্য কোন যানবাহম চলাচলে অনুপযোগী রাস্তা। সম্প্রতি আম্ফান ঘূর্ণিঝড়ের বৃষ্টির কারনে সাইলঁচো গ্রামের হেঁটে চলার রাস্তাটি চলাচল করার মত অবস্থা নেই।

জামতলা ব্রীজ নির্মাণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ব্রীজের পাশে বিকল্প পথ না করে দেওয়ায় দেশের বর্তমান অবস্থায় করোনা প্রার্দুভাব বেড়েই চলছে, এমতাবস্থায় এই এলাকায় কোন ভাবে এ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করার মত কোন উপায় নেই। জরুরী খাদ্য সরবারহ করার মত গাড়ি প্রবেশের কোন রাস্তা নেই। গত সাপ্তাহ অন্তঃসত্ত্বা এক মহিলার ডেলিভারির জন্য বরুড়া হাসপাতালে নেওয়ার জন্য এ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করতে পারেনি পরবর্তীতে অটোরিক্সা করে নিতে হয়েছে,গত দুইমাস যাবত এমন বহু কষ্টকর ঘটনার একাধিক নজির রয়েছে।

চিতড্ডা ইউনিয়নের সমাজকর্মী মোঃ শরিফুল ইসলাম খোশবাস বার্তাকে বলেন, আমাদের এলাকাবাসীর দুর্ভোগ এর অন্ত নেই।আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ বরুড়া উপজেলার চেয়ারম্যান ও সাংসদ এর কাছে আকুল আবেদন করছি আমাদের এই ব্রীজের কাজ দ্রুত গতিতে নির্মাণ শেষ করে আমাদের কে যেন দুর্ভোগ কমিয়ে দেয়।

Tag :

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

অনলাইন জরিপ

চামড়াশিল্পের চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে মনে করেন কি?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...

খালে ভাসমান বস্তায় মানুষের মরদেহ আছে বলে প্রচার, খুলে দেখা গেলো কুকুর

বরুড়ায় ব্রীজ নির্মাণে ধীরগতি, ভোগান্তিতে গ্রামবাসী!

প্রকাশিতঃ ১০:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০

কুমিল্লা জেলার বরুড়ায় চিতড্ডা ইউনিয়নের কাদুটি ও নবাবপুর প্রধান সড়কের জামতলা এলাকার ব্রীজ নির্মানের ধীর গতির কারনে ভোগান্তিতে এলাকাবাসী। 

প্রায় একযুগ বরুড়া উপজেলাধীন ঝলম বাজার থেকে চান্দিনা উপজেলার কাদুটি ও নবাবপুর প্রধান সড়কটির বেহালদশা ছিল, গত দুই মাস পূর্বে রাস্তাটির নতুন ভাবে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নির্মাণাধীন সড়কটির মাঝামাঝি চিতড্ডা ইউনিয়নের জামতলা ব্রীজটি বহু পুরাতন এবং ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ব্রীজটি নতুন করে নির্মাণ করার কাজ শুরু করেছে। চিতড্ডা ইউনিয়নের ওড্ডা, নোয়াপাড়া, চিতড্ডাসহ চান্দিনা থানায় প্রবেশের প্রধান সড়ক এই রাস্তাটি, বিভিন্ন স্থানে ব্রীজ নির্মাণ চলাকালীন সময়ে ব্রীজের পাশ দিয়ে বিকল্প রাস্তা নির্মান করে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় কিন্তুু জামতলা ব্রীজের পাশে বিকল্প পথ তৈরী করে না দেওয়ায় চিতড্ডা ইউপির হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছে! গত দুই মাস যাবৎ অত্র গ্রামের মানুষগুলো প্রচন্ড দুর্ভোগে রয়েছে। চান্দিনা উপজেলার পশ্চিম দক্ষিনাঞ্চলের সাথে ফাঁড়ি সড়ক হওয়ায় এর গুরুত্ব দিন দিন বেড়ে চলছে।

প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ এই রাস্তায় ঝলম বাজার এবং বরুড়া উপজেলায় বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনী কাজে যাতায়াত করার প্রয়োজন হয়। ব্রীজের কাজ শুরু হওয়ার পর কাজের ধীরগতি হওয়ায় এবং ব্রীজের পাশে বিকল্প পথ না থাকার ফলে সাধারণ মানুষ সাইলঁচো গ্রামের বসত-বাড়ির উঠান দিয়ে বিকল্প রাস্তা খুঁজে নেয়, এতে সাইলঁচো গ্রামের মানুষ বিরক্তিকর প্রকাশ করেছে, যদিও পথযাত্রীরা সাইলঁচো গ্রামের রাস্তায় চলাচল করে তবে সাইকেল,মোটরসাইকেল, রিক্সা,ভ্যান তথা তিন চাকার গাড়ি ব্যতিত অন্য কোন যানবাহম চলাচলে অনুপযোগী রাস্তা। সম্প্রতি আম্ফান ঘূর্ণিঝড়ের বৃষ্টির কারনে সাইলঁচো গ্রামের হেঁটে চলার রাস্তাটি চলাচল করার মত অবস্থা নেই।

জামতলা ব্রীজ নির্মাণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ব্রীজের পাশে বিকল্প পথ না করে দেওয়ায় দেশের বর্তমান অবস্থায় করোনা প্রার্দুভাব বেড়েই চলছে, এমতাবস্থায় এই এলাকায় কোন ভাবে এ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করার মত কোন উপায় নেই। জরুরী খাদ্য সরবারহ করার মত গাড়ি প্রবেশের কোন রাস্তা নেই। গত সাপ্তাহ অন্তঃসত্ত্বা এক মহিলার ডেলিভারির জন্য বরুড়া হাসপাতালে নেওয়ার জন্য এ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করতে পারেনি পরবর্তীতে অটোরিক্সা করে নিতে হয়েছে,গত দুইমাস যাবত এমন বহু কষ্টকর ঘটনার একাধিক নজির রয়েছে।

চিতড্ডা ইউনিয়নের সমাজকর্মী মোঃ শরিফুল ইসলাম খোশবাস বার্তাকে বলেন, আমাদের এলাকাবাসীর দুর্ভোগ এর অন্ত নেই।আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ বরুড়া উপজেলার চেয়ারম্যান ও সাংসদ এর কাছে আকুল আবেদন করছি আমাদের এই ব্রীজের কাজ দ্রুত গতিতে নির্মাণ শেষ করে আমাদের কে যেন দুর্ভোগ কমিয়ে দেয়।