Dhaka , রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বরুড়ায় পুকুরের পানিতে নিভে গেল ছোট্ট ফরাদের জীবনপ্রদীপ গোপালনগরে মধ্যরাতে মুখোশধারী ডাকাতির হানা: স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ লুটপাট ২০১১ সালের রায়: যে রায়ে সূচিত হয়েছিল শেখ হাসিনার পতনের পথচলা হানিফ এগ্রো ফার্মের উদ্যোগে বরুড়ায় ফাইনাল ফুটবল ম্যাচ বরুড়ায় জামায়েত ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর মতবিনিময় দৈনিক বরুড়ার কন্ঠ প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন আবু নাছের ইয়াহিয়ার তৃতীয় জানাযা বরুড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে স্বপ্নের গাউন পেয়ে উচ্ছ্বসিত বরুড়ার লিটল এঞ্জেল স্কুল সরকারি প্রতিষ্ঠান সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অধীনে থাকবে, প্রতিশোধ না নেওয়ার ঘোষণা বাংলাদেশের রিক্তা আক্তার বানু বিবিসির ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায়
খোশবাস বার্তা

চান্দিনার তাসনুবা আক্তার(২৩) প্রতারণা ফাঁদে পেলে ভিডিও ধারণ করে!

কুমিল্লা চান্দিনা উপজেলার কেশরা গ্রামের তাসনুবা আক্তার (২৩) অল্প বয়সে বেচে নিয়েছেন মহা প্রতারনার ফাঁদ। টার্গেট করে লোকদের প্রেমের ফাঁদে পেলে জিম্মি করে দাবি করতেন মোটা অংকের টাকা। সর্বশেষ তার প্রতারণার ফাঁদে পড়েন লাকসাম উপজেলার বড় বিজরা গ্রামের এক ব্যবসায়ীক কে,ফাঁদে ফেলে তার কাছ থেকে তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন প্রায় ২৯ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।
প্রেমের ফাঁদে ফেলে ক্যামেরায় ভিডিও ধারণ করে ব্ল‍্যাকমেইলিং এর মাধ্যমে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগে ৭ প্রতারককে গ্রেফতার কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। প্রতারণার সময় আটককৃতরা নিজেদেরকে ডিবি পুলিশ ও সাংবাদিকদের পরিচয় দিয়ে বিশাল অঙ্কের টাকা আদায় করে আসছিল। শনিবার সকালে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান। ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন সময়ে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। এ সময়ে চাঁদা আদায়ের জন্য ব্যবহৃত ভুক্তভোগের স্বাক্ষরিত সাতটি অলিখিত স্টাম্প, স্বাক্ষরিত সাতটি খালি ব্যাংক চেক উদ্ধার করে পুলিশ।

অভিযোগ দায়ের করেন। পরে, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে শনিবার রাতে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানার সুবর্ণপুর এলাকার সৈয়দ আব্দুর রউফ এর ছেলে সৈয়দ আয়াত উল্লাহ (৩৭), বালুতুপা গ্রামের মো. ইসহাক মিয়ার ছেলে ইমরান হোসেন (৪০), একই এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. কবির হোসেন (২৮), বরুড়া উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মো. আব্দুল মালেকের ছেলে মো. মোজাম্মেল হক (৩৬), গালিমপুর গ্রামের মো. আলী আজগর এর ছেলে মো. আব্দুর রহিম, চান্দিনা উপজেলার কেশরা গ্রামের মৃত শফিকুল ইসলামের মেয়ে তাসনুবা আক্তার (২৩) ও লাকসাম উপজেলার বড় বিজরা গ্রামের মো. মোস্তফা কামালের ছেলে মো. সাখাওয়াত হোসেন (২৮)।

৪ মে (শনিবার) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান। পুলিশ সুপার জানান, এই ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মংনে থোয়াই মারমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) নাজমুল হাসান রাফি ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ রাজেশ বড়ুয়া প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় আপডেট

বরুড়ায় পুকুরের পানিতে নিভে গেল ছোট্ট ফরাদের জীবনপ্রদীপ

চান্দিনার তাসনুবা আক্তার(২৩) প্রতারণা ফাঁদে পেলে ভিডিও ধারণ করে!

প্রকাশিতঃ ০৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ মে ২০২৪

কুমিল্লা চান্দিনা উপজেলার কেশরা গ্রামের তাসনুবা আক্তার (২৩) অল্প বয়সে বেচে নিয়েছেন মহা প্রতারনার ফাঁদ। টার্গেট করে লোকদের প্রেমের ফাঁদে পেলে জিম্মি করে দাবি করতেন মোটা অংকের টাকা। সর্বশেষ তার প্রতারণার ফাঁদে পড়েন লাকসাম উপজেলার বড় বিজরা গ্রামের এক ব্যবসায়ীক কে,ফাঁদে ফেলে তার কাছ থেকে তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন প্রায় ২৯ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।
প্রেমের ফাঁদে ফেলে ক্যামেরায় ভিডিও ধারণ করে ব্ল‍্যাকমেইলিং এর মাধ্যমে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগে ৭ প্রতারককে গ্রেফতার কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। প্রতারণার সময় আটককৃতরা নিজেদেরকে ডিবি পুলিশ ও সাংবাদিকদের পরিচয় দিয়ে বিশাল অঙ্কের টাকা আদায় করে আসছিল। শনিবার সকালে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান। ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন সময়ে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। এ সময়ে চাঁদা আদায়ের জন্য ব্যবহৃত ভুক্তভোগের স্বাক্ষরিত সাতটি অলিখিত স্টাম্প, স্বাক্ষরিত সাতটি খালি ব্যাংক চেক উদ্ধার করে পুলিশ।

অভিযোগ দায়ের করেন। পরে, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে শনিবার রাতে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালি থানার সুবর্ণপুর এলাকার সৈয়দ আব্দুর রউফ এর ছেলে সৈয়দ আয়াত উল্লাহ (৩৭), বালুতুপা গ্রামের মো. ইসহাক মিয়ার ছেলে ইমরান হোসেন (৪০), একই এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. কবির হোসেন (২৮), বরুড়া উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মো. আব্দুল মালেকের ছেলে মো. মোজাম্মেল হক (৩৬), গালিমপুর গ্রামের মো. আলী আজগর এর ছেলে মো. আব্দুর রহিম, চান্দিনা উপজেলার কেশরা গ্রামের মৃত শফিকুল ইসলামের মেয়ে তাসনুবা আক্তার (২৩) ও লাকসাম উপজেলার বড় বিজরা গ্রামের মো. মোস্তফা কামালের ছেলে মো. সাখাওয়াত হোসেন (২৮)।

৪ মে (শনিবার) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান। পুলিশ সুপার জানান, এই ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মংনে থোয়াই মারমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) নাজমুল হাসান রাফি ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ রাজেশ বড়ুয়া প্রমুখ।