আজ দুপুর তিনটা। বরুড়ার অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক রামমোহন তমিজিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে রামমোহন বাজার টু খোশবাস বাজার রোডে যাত্রী ও চালকদের আহাজারি। স্থির হয়ে বসে থাকে কোন কোন গাড়ি। দু-একটা সামনে এগোচ্ছে, কিন্তু রাস্তা পার হতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন চালক। কারণ একদিকে রাস্তা ভাঙা, অন্যদিকে জমে আছে পানি। ভাঙা রাস্তা পার হতে গিয়ে আটকে যাচ্ছে গাড়ি। ফলে যাত্রী-চালকদের অনেকেই বাধ্য হয়ে হাঁটু সমান পানিতে নেমে ঠেলছেন গাড়ি। এ রাস্তা পার হতে গিয়ে বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও রিকশা চালকদের বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
খানাখন্দে ভরা রাস্তা, জলাবদ্ধতার কারণে একটু বৃষ্টি হলেই দুর্ভোগে পড়েছেন , ২৮টি গ্রামের যাত্রী, পথচারী, সাধারণ মানুষ ও গাড়ি চালকরা।
এই রাস্তাটি দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভাঙা।কিন্তু স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদাসিনতায় হাজার হাজার মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। শত শত স্কুলমুখী ছাত্রছাত্রীদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে রাস্তা ভাঙা ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকায়।
রামমোহন তমিজিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ডা.মাহবুব বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এই ভোগান্তির শিকার কিন্তু স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা আমাদের কে বারবার হতাশার মধ্যে রেখেছেন,কি জবাব দিবেন এই জনপ্রতিনিধিরা আল্লাহর কাছে?


নিজস্ব প্রতিবেদক 










