Dhaka , রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বরুড়ায় পুকুরের পানিতে নিভে গেল ছোট্ট ফরাদের জীবনপ্রদীপ গোপালনগরে মধ্যরাতে মুখোশধারী ডাকাতির হানা: স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ লুটপাট ২০১১ সালের রায়: যে রায়ে সূচিত হয়েছিল শেখ হাসিনার পতনের পথচলা হানিফ এগ্রো ফার্মের উদ্যোগে বরুড়ায় ফাইনাল ফুটবল ম্যাচ বরুড়ায় জামায়েত ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর মতবিনিময় দৈনিক বরুড়ার কন্ঠ প্রধান কার্যালয় উদ্বোধন আবু নাছের ইয়াহিয়ার তৃতীয় জানাযা বরুড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে স্বপ্নের গাউন পেয়ে উচ্ছ্বসিত বরুড়ার লিটল এঞ্জেল স্কুল সরকারি প্রতিষ্ঠান সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অধীনে থাকবে, প্রতিশোধ না নেওয়ার ঘোষণা বাংলাদেশের রিক্তা আক্তার বানু বিবিসির ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায়
খোশবাস বার্তা

শাহজিবাজারে করোনা ঝুঁকিতে রাবার বাগানের সাড়ে তিনশত শ্রমিক

করোনার ঝুঁকি নিয়েও কাজ করছেন মাধবপুরের শাহজিবাজার রাবার বাগানের প্রায় সাড়ে তিনশত রাবার শ্রমিক। প্রতি ত্রিশজনে একটি মাত্র সাবান দেয়া হয়েছে কিন্তু হাত ধোয়ার কোন ব্যাবস্থা নেই । দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা এই শ্রমিকরা নিরাপদ সময় পার না করেই কাজে যোগ দিয়েছেন।

জানা গেছে করোনা পরিস্থিতির কারণে ২৬ মার্চ সরকারী ছুটি ঘোষনায় শ্রমিকরা যার যার বাড়ীতে চলে যায় । সরকারী ছুটির সময়সীমা বাড়লেও রাবার শ্রমিকদের ছুটি আর বাড়েনি । করোনা ভাইরাস জনিত কোভিড-১৯ বিস্তার রোধে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় জনসাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রন থাকার সরকারী নির্দেশ থাকা সত্বেও বাগান ব্যাবস্থাপকের নির্দেশে কোন রকম সতর্কতা ছাড়াই শ্রমিকরা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে পুনরায় কাজ করছেন ।

রাবার শ্রমিক কর্মচারী লীগের সভাপতি জাহের আলী শাহ ও রাবার শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কে এম বাহার আলী শাহ সহ অন্যান্য শ্রমিকরা হবিগঞ্জের খবর কে জানিয়েছেন রাবার বাগানে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধমূলক কোন ব্যাবস্থা নেয়া হয়নি । তারা জানান রাবার বাগানে টেপার পদের শ্রমিকরা প্রতি ৩০ জনে এক এক দলে একজন সুপারভাইজারের নিয়ন্ত্রনে কাজ করেন । ৩০ জনের জন্য একবার একটি সাবান দেয়া হলেও পানির অভাবে কেউই হাত ধোতে পারেনি । এক কলমে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে হচ্ছে ত্রিশ জন শ্রমিককে। রাবার বাগানে যথাযত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করার অভিযোগ শ্রমিকদের। রাবার শ্রমিকসহ এলাকাবাসীর মাঝে করোনা আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মাধবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শাহজিবাজার এলাকার এখলাছুর রহমান হবিগঞ্জের খবর কে জানান রাবার বাগানের শ্রমিকরা প্রয়োজনীয় স্যানিটাইজার ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে বাগানে কাজ করাটাই এলাকার জনসাধারণের আতঙ্কের বিষয় ।করোনা সংক্রমন মোকাবেলায় সরকারী স্বাস্থ্য বিধি মেনে সকলের সম্মিলিত ভুমিকা থাকা প্রয়োজন ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাবার বাগান ব্যাবস্থাপক কে এম মাহবুব আলম হবিগঞ্জের খবর কে বলেন ৩০ জন শ্রমিকের জন্যে একবার ১টি সাবান দেয়া হয়েছে তা সঠিক তবে সরকারী নির্দেশনা মেনেই রাবার বাগানে কাজ করছি । পরিসংখ্যান মতে সিলেট বিভাগের মধ্যে হবিগঞ্জ জেলা সর্বাধিক করোনা ভাইরাস ঝুঁকিপুর্ন এলাকা ।

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় রাবার বাগান , চা বাগান সহ রয়েছে অনেকগুলি মিল ফ্যাক্টরী । করোনা ঝুঁকি মোকাবেলায় এ সকল মিল ফ্যাক্টরী ও বাগানের শ্রমিক এবং মালিকদের আরো অনেক সচেতনতার সাথে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করলে মাধবপুরের পরিনতি হতে পারে অনেক ভয়াবহ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় আপডেট

বরুড়ায় পুকুরের পানিতে নিভে গেল ছোট্ট ফরাদের জীবনপ্রদীপ

শাহজিবাজারে করোনা ঝুঁকিতে রাবার বাগানের সাড়ে তিনশত শ্রমিক

প্রকাশিতঃ ০২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২০

করোনার ঝুঁকি নিয়েও কাজ করছেন মাধবপুরের শাহজিবাজার রাবার বাগানের প্রায় সাড়ে তিনশত রাবার শ্রমিক। প্রতি ত্রিশজনে একটি মাত্র সাবান দেয়া হয়েছে কিন্তু হাত ধোয়ার কোন ব্যাবস্থা নেই । দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা এই শ্রমিকরা নিরাপদ সময় পার না করেই কাজে যোগ দিয়েছেন।

জানা গেছে করোনা পরিস্থিতির কারণে ২৬ মার্চ সরকারী ছুটি ঘোষনায় শ্রমিকরা যার যার বাড়ীতে চলে যায় । সরকারী ছুটির সময়সীমা বাড়লেও রাবার শ্রমিকদের ছুটি আর বাড়েনি । করোনা ভাইরাস জনিত কোভিড-১৯ বিস্তার রোধে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় জনসাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রন থাকার সরকারী নির্দেশ থাকা সত্বেও বাগান ব্যাবস্থাপকের নির্দেশে কোন রকম সতর্কতা ছাড়াই শ্রমিকরা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসে পুনরায় কাজ করছেন ।

রাবার শ্রমিক কর্মচারী লীগের সভাপতি জাহের আলী শাহ ও রাবার শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কে এম বাহার আলী শাহ সহ অন্যান্য শ্রমিকরা হবিগঞ্জের খবর কে জানিয়েছেন রাবার বাগানে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধমূলক কোন ব্যাবস্থা নেয়া হয়নি । তারা জানান রাবার বাগানে টেপার পদের শ্রমিকরা প্রতি ৩০ জনে এক এক দলে একজন সুপারভাইজারের নিয়ন্ত্রনে কাজ করেন । ৩০ জনের জন্য একবার একটি সাবান দেয়া হলেও পানির অভাবে কেউই হাত ধোতে পারেনি । এক কলমে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতে হচ্ছে ত্রিশ জন শ্রমিককে। রাবার বাগানে যথাযত স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করার অভিযোগ শ্রমিকদের। রাবার শ্রমিকসহ এলাকাবাসীর মাঝে করোনা আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মাধবপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শাহজিবাজার এলাকার এখলাছুর রহমান হবিগঞ্জের খবর কে জানান রাবার বাগানের শ্রমিকরা প্রয়োজনীয় স্যানিটাইজার ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে বাগানে কাজ করাটাই এলাকার জনসাধারণের আতঙ্কের বিষয় ।করোনা সংক্রমন মোকাবেলায় সরকারী স্বাস্থ্য বিধি মেনে সকলের সম্মিলিত ভুমিকা থাকা প্রয়োজন ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাবার বাগান ব্যাবস্থাপক কে এম মাহবুব আলম হবিগঞ্জের খবর কে বলেন ৩০ জন শ্রমিকের জন্যে একবার ১টি সাবান দেয়া হয়েছে তা সঠিক তবে সরকারী নির্দেশনা মেনেই রাবার বাগানে কাজ করছি । পরিসংখ্যান মতে সিলেট বিভাগের মধ্যে হবিগঞ্জ জেলা সর্বাধিক করোনা ভাইরাস ঝুঁকিপুর্ন এলাকা ।

হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলায় রাবার বাগান , চা বাগান সহ রয়েছে অনেকগুলি মিল ফ্যাক্টরী । করোনা ঝুঁকি মোকাবেলায় এ সকল মিল ফ্যাক্টরী ও বাগানের শ্রমিক এবং মালিকদের আরো অনেক সচেতনতার সাথে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করলে মাধবপুরের পরিনতি হতে পারে অনেক ভয়াবহ।