1. megatechcdf@gmail.com : Mega Tech Career Development Foundation : Mega Tech Career Development Foundation
  2. noorazman152@gmail.com : নূর আজমান : নূর আজমান
  3. asifiqballimited@gmail.com : Asif Iqbal : Asif Iqbal
  4. khansajeeb45@gmail.com : সজিব খান : সজিব খান
  5. naeemnewsss@gmail.com : সাকিব আল হেলাল : সাকিব আল হেলাল
  6. khoshbashbarta@gmail.com : ইউনুছ খান : ইউনুছ খান
করোনাভাইরাস: প্রস্তুতিই শেষ হচ্ছে না কুমিল্লা মেডিকেলের - খোশবাস বার্তা
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
খোশবাস বার্তা

করোনাভাইরাস: প্রস্তুতিই শেষ হচ্ছে না কুমিল্লা মেডিকেলের

কুমিল্লা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২০
  • ১৭৩ বার পঠিত

আইসিইউ’র অন্যতম প্রধান উপাদান এপিজি মেশিন সঙ্কটের কারণে কার্যক্রম শুরু করা যাচ্ছে না বলে দাবি করছেন হাসপাতালের পরিচালক

গত ২৬ এপ্রিল কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালকে জেলার করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা দেয় জেলা করোনা সংক্রমণ মোকাবিলা কমিটি। তারপর থেকে প্রস্তুতি শুরু হলেও কবে নাগাদ তা শেষ হবে সে বিষয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় বিশেষায়িত হাসপাতালের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ থাকা।

কিন্তু কুমিল্লা মেডিকেলের বহুল কাঙ্খিত আইসিইউ স্থাপনের কাজ এখনও শেষ হয়নি। করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর আগেও জেলাবাসী দীর্ঘদিন ধরে এটি স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। আর গত ৮ মার্চ দেশে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাস সংক্রমণ শনাক্তের পর এর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম হয়ে ওঠে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুইমাস আগে আইসিইউ স্থাপনের কাজ শুরু করলেও তা এখনও শেষ হয়নি।

আইসিইউ’র অন্যতম প্রধান উপাদান এপিজি মেশিন সঙ্কটের কারণে কার্যক্রম শুরু করা যাচ্ছে না বলে দাবি করছেন কুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. মুজিবুর রহমান।

তিনি বলেন, “একটি আইসিইউ স্থাপনের জন্য ভেন্টিলেটর, অক্সিজেন, বেডসহ যে সরঞ্জাম প্রয়োজন তার ৯০% কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি শুধু একটি এপিজি মেশিন। ইতোমধ্যে ২০টি ভেন্টিলেটর, সেন্ট্রাল অক্সিজেন স্থাপন ও পর্যাপ্ত বেডের কারিগরি সব কাজ সম্পন্নের পথে।”

আগামী রবিবারের মধ্যে আইসিইউর প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ঈদের আগে না হলেও পরপরই কুমেক হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল হিসেবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আইসিইউ ছাড়াও হাসপাতালটিতে রোগীদের পরিচর্যায় প্রশিক্ষিত চিকিৎসক ও নার্সের অভাব রয়েছে। ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য গুণগতমানের পিপিই এবং মাস্কের সঙ্কট রয়েছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী। তাদের দাবি, হাসপাতালে সরবরাহকৃত পিপিই ও মাস্কের অধিকাংশই গুণগত মানসম্পন্ন নয়।

কিন্তু হাসপাতাল পরিচালকের দাবি, করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক, নার্স কিংবা স্বাস্থ্যকর্মীর সঙ্কট নেই। বর্তমানে হাসপাতালের ৮টি  আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসক ও নার্সসহ ৬৪ জন সদস্য কাজ করছেন।

তবে পিপিই ও মাস্কের গুণগতমানের যথার্থতা না থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি। তার দাবি, “এ সমস্যা বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলোতেও রয়েছে।”

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গঠিত কুমিল্লা জেলা কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে করোনা হাসপাতাল হিসেবে কার্যক্রম শুরুর পর কুমেক হাসপাতালে অন্য কোনো রোগের চিকিৎসা দেওয়া হবে না। কুমিল্লা সদর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে গাইনি ও ক্যাজুয়ালিটি বিভাগের রোগীদের। সদর হাসপাতালের ইমারজেন্সি থেকে নিউরোলজি এবং অর্থোপেডিক্স বিভাগের কিছু রোগীদের কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টার (টাওয়ার) এবং ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাসেবার জন্য পাঠানো হবে। বহির্বিভাগের রোগীদের এলাকা ভিত্তিক কুমিল্লার ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ, সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ এবং ময়নামতি মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা সেবা নেবেন।

তবে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার খরচ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ।

কুমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রফিকুল ইসলাম নামে এক রোগীর প্রশ্ন, “মেডিকেল যেভাবে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে, সেই সেবা কি বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে দেবে? তারা টাকা ছাড়া রোগী ধরেও দেখে না। সেগুলো সাধারণ মানুষের হাসপাতাল নয়।”

এ বিষয়ে জেলার মানবাধিকার সংগঠক আলী আকবর মাসুম বলেন, শুধু কুমেক হাসপাতাল নয়, সারাদেশেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এক ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেউ যেন কোনোভাবেই চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হয় সেদিকে কর্তৃপক্ষকে খেয়াল রাখতে হবে।

তবে ডা. মো. মুজিবুর রহমান জানান, কুমেক হাসপাতালে সাধারণ রোগীরা বিনামূল্যে সেবার জন্যই আসেন। এখান থেকে বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতে হবে। কারণ লাইসেন্স প্রদানের শর্তানুযায়ী একটি বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে প্রতিদিন ১০ জন সাধারণ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে হয়। সেটি নিশ্চিত করতে জেলা সিভিল সার্জন ও জেলা করোনা মোকাবিলা কমিটি কাজ করবেন।

খোশবাস বার্তা

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

অনলাইন জরিপ

দেশে নদী রক্ষার আইন আছে, কিন্তু শক্ত বাস্তবায়ন নেই—জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সদস্য শারমীন মুরশিদের এ বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?

Loading ... Loading ...
corona safety
সত্বাধিকার © খোশবাস বার্তা ২০১৬- ২০২১
ডেভেলপ করেছেন : TechverseIT
themesbazar_khos5417