1. noorazman152@gmail.com : নূর আজমান : নূর আজমান
  2. asifiqballimited@gmail.com : Asif Iqbal : Asif Iqbal
  3. khansajeeb45@gmail.com : সজিব খান : সজিব খান
  4. naeemnewsss@gmail.com : সাকিব আল হেলাল : সাকিব আল হেলাল
  5. khoshbashbarta@gmail.com : ইউনুছ খান : ইউনুছ খান
রিজেন্টের সাহেদের মত কাজ করেন সিলেটের ডা. শাহ আলম! - খোশবাস বার্তা
সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
খোশবাস বার্তা

রিজেন্টের সাহেদের মত কাজ করেন সিলেটের ডা. শাহ আলম!

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
  • ৩৭৬ বার পঠিত

করোনা শনাক্তে নমুনা পরীক্ষায় ঢাকার জেকেজি ও রিজেন্ট হাসপাতালের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে যখন তোলপাড় চলছে, তখন সিলেটে খোঁজ মিলেছে ভয়ানক এক চিকিৎসকের! যিনি নমুনা পরীক্ষা তো দূরের কথা, রোগী না দেখে টাকা পেলেই দিয়ে দেন ‘নন কভিড সার্টিফিকেট’।

তার টার্গেটে থাকেন বিদেশযাত্রীরা। প্রতি সার্টিফিকেটের জন্য নেন চার হাজার টাকা।

তবে রিপোর্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি খুবই কৌশলী।করোনা নেগেটিভ রিপোর্টের পরিবর্তে দেন ‘নন কভিড’ প্রত্যয়নপত্র।

নিজেকে ওসমানী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার দাবি করলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তিনি সেখানে কর্মরত নন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডা. এ এইচ এম শাহ আলম নগরীর মধুশহীদ এলাকায় মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের নিচতলায় চেম্বার করেন।বিদেশযাত্রীদের জন্য বিভিন্ন দেশ ও এয়ারলাইন্স করোনা নেগেটিভ সার্টিফেকেট বাধ্যতামূলক করার পর প্রবাসীদের টার্গেট করেন ডা. শাহ আলম। বিভিন্ন মাধ্যমে তিনি বিদেশযাত্রীদের কাছে খবর পৌঁছান ‘করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট’র ব্যবস্থা করে দেয়ার। ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট দেয়ার কথা বলে বিদেশযাত্রীদের কাছ থেকে তিনি চার হাজার টাকা করে আদায় করেন। ফ্লাইটের ৪৮ ঘন্টা আগে তিনি ওই প্রবাসীকে ডেকে নিয়ে হাতে ধরিয়ে দেন প্রত্যয়নপত্র।

এছাড়া প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখ করেন, এই মূহুর্তে বাংলাদেশে উপসর্গহীনদের করোনা পরীক্ষার সুযোগ নেই।

নিজের পরিচয়ের ক্ষেত্রেও প্রতারণার আশ্রয় নেন ডা. শাহ আলম। তার প্রত্যয়নপত্রের নিচে নিজের পদবী লিখেছেন ‘মেডিকেল অফিসার, এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল’। কিন্তু ওসমানী হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন ডা. এ এইচ এম শাহ আলম ওসমানীতে কর্মরত নয়।

এ ব্যাপারে ডা. শাহ আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি টাকার বিনিময়ে ‘নন কোভিড প্রত্যয়নপত্র’ দেয়ার কথা স্বীকার করেন।

একজন চিকিৎসক কোন ধরনের প্রত্যয়নপত্র দিয়ে চার হাজার টাকা করে ফি আদায় অনৈতিক ও অমানবিক বলে মন্তব্য করেছেন ওসমানী হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়।

 

 

 

খোশবাস বার্তা

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

অনলাইন জরিপ

চামড়াশিল্পের চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে মনে করেন কি?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...
corona safety
সত্বাধিকার © খোশবাস বার্তা ২০১৬- ২০২১
ডেভেলপ করেছেন : TechverseIT
themesbazar_khos5417