1. megatechcdf@gmail.com : Mega Tech Career Development Foundation : Mega Tech Career Development Foundation
  2. noorazman152@gmail.com : নূর আজমান : নূর আজমান
  3. asifiqballimited@gmail.com : Asif Iqbal : Asif Iqbal
  4. hanif.su.12@gmail.com : মো. হানিফ : মো. হানিফ
  5. mehidi.badda@gmail.com : Mehidi Hasan : Mehidi Hasan
  6. fozlarabbi796@gmail.com : Fazle Rabbi : Fazle Rabbi
  7. ji24san@gmail.com : Sahejul Islam : Sahejul Islam
  8. khansajeeb45@gmail.com : সজিব খান : সজিব খান
  9. naeemnewsss@gmail.com : সাকিব আল হেলাল : সাকিব আল হেলাল
  10. khoshbashbarta@gmail.com : ইউনুছ খান : ইউনুছ খান
আজ ঐতিহাসিক চা শ্রমিক হত্যা দিবস - খোশবাস বার্তা
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন
খোশবাস বার্তা

আজ ঐতিহাসিক চা শ্রমিক হত্যা দিবস

গিরিধন সরকার, মাধবপুর প্রতিনিধি. হবিগঞ্জ
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২০ মে, ২০২০
  • ১৭৩ বার পঠিত
আজ ঐতিহাসিক চা শ্রমিক হত্যা দিবস
ছবিঃ ইন্টারনেট
  এ সময় চাঁদপুরের মেঘনাঘাটে বৃটিশ সৈন্যরা নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হাজার হাজার চা শ্রমিককে হত্যা করে। এরপর থেকে ২০ মে চা-শ্রমিকেরা ‘চা-শ্রমিক দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছেন।
১৮৫৪ সালে ভারতের অনুর্বর অঞ্চলে অর্থাৎ উড়িষ্যা, মাদ্রাজ, বিহার, মধ্যপ্রদেশসহ বিভিন্ন অঞ্চলে অভাবপীড়িত মানুষ অনাহার-অর্ধাহারে দিন কাটাতো। গরিব মানুষের অর্থ সংকটের এ সুযোগটিকে সুকৌশলে কাজে লাগায় ব্রিটিশ সরকার। সিলেটের ‘মালিনীছড়া’ চা বাগান প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ধূর্ত ব্রিটিশরা এ অঞ্চলে প্রাথমিক ভাবে চায়ের বাণিজ্যিক চাষ শুরু করে। খুব স্বভাবিক কারণেই চা বাগান প্রতিষ্ঠার জন্য শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। ব্রিটিশ কোম্পানি উড়িষ্যা, মাদ্রাজ, বিহার, মধ্যপ্রদেশসহ আশপাশ এলাকা থেকে অভাবপীড়িত মানুষদের আর্থিক লাভের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে চা বাগানে নিয়ে আসে। তাদের চা বাগানে শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ করে। কোম্পানির মালিকরা এসব শ্রমিককে আসাম-সিলেট অঞ্চলের গহিন বনে নামমাত্র মজুরিতে অমানবিক কাজে বাধ্য করে। দিন-রাত খাটুনির পর যে মজুরি পেত, তা দিয়ে শ্রমিকদের ঠিকমতো একবেলা খাবারও জুটত না। একদিকে মালিকদের অত্যাচার-নির্যাতন, অন্যদিকে অখাদ্য-কুখাদ্য খেয়ে শ্রমিকরা মানবেতর জীবন-যাপন করতে থাকে। ব্রিটিশ কোম্পানির মালিক শ্রেণীর শোষণ, নির্যাতন আর মিথ্যা আশ্বাসে সৃষদ্ব দারিদ্রে্যর দুষ্টচক্র থেকে বেরিয়ে আসতে শ্রমিকরা তখন ঐক্যবদ্ধ হয়।
১৯২১ সালে নিজ এলাকা বা বাসস্থানে যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে শ্রমিকরা। কিন্তু মাতৃভূমিতে যাওয়ার পথ জানা ছিল না তাদের। তবে এটুকু ধারণা ছিল চাঁদপুর থেকে স্টিমারে কলকাতা যাওয়া যায়। ১৯২১ সালের মে মাসে চা শ্রমিক নেতা পন্ডিত দেওশরণ ও পন্ডিত গঙ্গা দীক্ষিতের নেতৃত্ত্বে কাছাড়া ও সিলেটের ৩০ হাজার চা শ্রমিক রেললাইনের পথ ধরে হেঁটে রওনা দেয়। ২০ মে তারা চাঁদপুর নদীবন্দরে পৌঁছে। পথে খাদ্য সংকট ও রোগাক্রান্ত হয়ে নারী-শিশুসহ অনেকে মারা যায়। এদিকে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতায় বাগান মালিকরা শ্রমিকদের পথরোধ করতে চাঁদপুরে আসাম রাইফেলসের গুর্খা সৈন্য মোতায়েন করে। তবে শ্রমিকরা দাসত্ত্বের শৃঙ্খল ছিন্ন করে নিজ মাতৃভূমিতে পৌঁছার সংকল্পে অটুট ছিল। ২০ মে শ্রমিকরা স্টিমারে উঠতে চাইলে গুর্খা সৈন্যরা বাধা দেয়। তখন ঐক্যবদ্ধ শ্রমিকরা সেই বাঁধার বিরূদ্ধে বিদ্রোহ করে। শ্রমিকদের এ বিদ্রোহ দমন করতে সরকারের পক্ষে কমিশনার কিরণ চন্দ্র দেব, ম্যাজিসেদ্ব্রট সুশীল সিং, ইংরেজ মালিকদের প্রতিনিধি ফার্গুসনের নির্দেশে নির্বিচারে গুলি করে এবং হত্যাযজ্ঞ চালায়। যারা রেলস্টেশনে অপেক্ষা করছিল তাদেরও গুলি করে হত্যা করা হয়। চা শ্রমিকদের অগণিত লাশ মেঘনায় ভাসিয়ে দেয়া হয়। শ্রমিকদের রক্তে রঞ্জিত হয় মেঘনা নদী।
২০ মে ইতিহাসে যুক্ত হয় আরেকটি শাসকশ্রেণী ইংরেজ বেনিয়াদের শ্রমজীবী মানুষকে পৈশাচিকভাবে হত্যার কালো ইতিহাস। শ্রমজীবী মানুষের জন্য এ দিনটি সংগ্রামের, স্বজন হারানোর বেদনার একটি দিন। এ হত্যাযজ্ঞ ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরের ‘‘হে’’ মার্কেটে শ্রমিক হত্যার ঘটনাকেও হার মানায়।
খোশবাস বার্তা

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

এক পেইজে ই- খোশবাস বার্তা

খোশবাস বার্তা

অনলাইন জরিপ

স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে ঈদুল আজহার পশুর হাট বসা সম্ভব বলে মনে করেন কি?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...
corona safety
সত্বাধিকার © খোশবাস বার্তা ২০১৬- ২০২০
ডেভেলপ করেছেন আসিফ ইকবাল লি.
themesbazar_khos5417