1. megatechcdf@gmail.com : Mega Tech Career Development Foundation : Mega Tech Career Development Foundation
  2. noorazman152@gmail.com : নূর আজমান : নূর আজমান
  3. asifiqballimited@gmail.com : Asif Iqbal : Asif Iqbal
  4. hanif.su.12@gmail.com : মো. হানিফ : মো. হানিফ
  5. mehidi.badda@gmail.com : Mehidi Hasan : Mehidi Hasan
  6. fozlarabbi796@gmail.com : Fazle Rabbi : Fazle Rabbi
  7. ji24san@gmail.com : Sahejul Islam : Sahejul Islam
  8. khansajeeb45@gmail.com : সজিব খান : সজিব খান
  9. naeemnewsss@gmail.com : সাকিব আল হেলাল : সাকিব আল হেলাল
  10. khoshbashbarta@gmail.com : ইউনুছ খান : ইউনুছ খান
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয় চীনে - খোশবাস বার্তা
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ১০:২৫ অপরাহ্ন
খোশবাস বার্তা

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয় চীনে

আসিফ ইকবাল
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ১৮ মে, ২০২০
  • ১৪৩ বার পঠিত
ছবিঃ আল-জাজিরা

ভারতে অবশেষে কার্যকর করা হলো নির্ভয়ার চার ধর্ষক ও খুনির ফাঁসি। এর আগে বেশ কয়েক দফা তাদের মৃতু্যদন্ডের সাজা কার্যকর করার তারিখ পাল্টানো হয়েছিল।

সমাজে অপরাধ কমাতে বিশ্বের অনেক দেশেই মৃতু্যদন্ডের বিধান রয়েছে। যখন থেকে মানুষ নিজেকে সামাজিক নিয়মে বেঁধেছে, তখন থেকেই সেই নিয়ম ভাঙার সর্বোচ্চ সাজা মৃতু্যদন্ড।

তবে সব দেশে একইভাবে মৃতু্যদন্ড কার্যকর করা হয় না। শূলে চড়ানো, গিলোটিনে গর্দান নেওয়া থেকে শুরু করে ইলেকট্রিক চেয়ার বা ফাঁসি। সময় আর দেশভেদে পদ্ধতি বদলে গিয়েছে মৃতু্যদন্ডের পদ্ধতি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে, বিশ্বের অধিকাংশ দেশই প্রাণদন্ডের সাজার বিলুপ্তি ঘটিয়েছে। ২০১৮ সালের এপ্রিলে দেওয়া আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টির পরিসংখ্যান বলছে, এই মুহূর্তে বিশ্বের ১০৬টি (অর্ধেকের বেশি) দেশে মৃতু্যদন্ড আইনত বন্ধ। আরও ৩৬টি দেশে মৃতু্যদন্ড আইনত থাকলেও, তা কার্যকর হয় না। অর্থাৎ ১৪২টি (বিশ্বের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি) দেশে মৃতু্যদন্ড কার্যত নেই।

বিশ্বে ৫৬টি দেশে কম-বেশি মৃতু্যদন্ড দেওয়া হয়। সবচেয়ে বেশি মৃতু্যদন্ড কার্যকর হয় চীনে। যুক্তরাষ্ট্র উত্তর আমেরিকার একমাত্র দেশ যেখানে এখনো মৃতু্যদন্ডের অস্তিত্ব আছে। তবে সব প্রদেশে নয়। ২০১৮ সালে আমেরিকায় ২৫ জনের মৃতু্যদন্ড কার্যকর হয়েছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃতু্যদন্ড হয়েছে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে, ১৩ জনের। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য বলছে, ২০১৮ সালে, বিশ্বের ৫৪টি দেশে ২ হাজার ৫৩১ জনকে মৃতু্যদন্ডের সাজা শোনানো হয়েছে। শেষ পাওয়া হিসাব অনুয়ায়ী, এই মুহূর্তে সারা বিশ্বে কমপক্ষে ১৯ হাজার ৩৩৬ জন মৃতু্যদন্ড কার্যকর হওয়ার প্রহর গুনছে। তবে ২০১৭ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে বিশ্বে প্রাণদন্ড কার্যকর করার সংখ্যা কমেছে ৩১ শতাংশ।

অ্যামনেস্টির রিপোর্ট অনুযায়ী, চীনে ২০১৮ সালে অন্তত ১০০০ জনের মৃতু্যদন্ড কার্যকর হয়েছে। তবে বরাবরই নিজেকে গোপনীয়তা এবং রহস্যে মুড়ে রাখা চীন সরকারিভাবে মৃতু্যদন্ড নিয়ে কোনো তথ্যই প্রকাশ করে না।

চীনকে বাদ দিয়ে ২০১৮ সালে সারা বিশ্বে ৬৯০ জনের প্রাণদন্ড কার্যকর হয়েছে। এর সিংহভাগই (৭৮ শতাংশ) হয়েছে এশিয়ার চার দেশ- ইরান, সৌদি আরব, ভিয়েতনাম এবং ইরাকে।

ইরান এবং সৌদি আরবে প্রতি বছর ১৫০ থেকে ২৫০ মৃতু্যদন্ড কার্যকর হয়ে থাকে। উত্তর এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে দেওয়া হয় মৃতু্যদন্ড।

ভারতে গুরুতর কোনো অপরাধ প্রমাণিত হলে মৃতু্যদন্ড দেওয়া হয়। ভারতে এর আগে শেষ মৃতু্যদন্ড কার্যকর হয়েছিল ২০১৫ সালে। ১৯৯৩-এর মুম্বাই হামলায় দোষী সাব্যস্ত ইয়াকুব মেমনকে দেওয়া হয়েছিল ফাঁসি।

এই দেশগুলোর বাইরে এশিয়ায় এখনো মৃতু্যদন্ড দেওয়া হয় জাপান, তাইওয়ান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, বাহরিন, ওমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে। ইউরোপের তিনটি দেশ ছাড়া আর কোথাও মৃতু্যদন্ড নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) অন্তর্ভুক্তির অন্যতম শর্তই হলো- সদস্য দেশ হলে মৃতু্যদন্ড দেওয়া যাবে না। ইইউতে অন্তর্ভুক্তির জন্য ২০১২ সালে লাতভিয়া এই সাজার অবলুপ্তি ঘটায়। ইউরোপে এখন শুধু বেলারুশ, ডনেস্ক পিপলস রিপাবলিক এবং লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিকে প্রাণদন্ড দেওয়া হয়।

রাশিয়ায় খাতা-কলমে এখনো মৃতু্যদন্ড আছে। তবে সর্বশেষ ১৯৯৯ সালে দেশটিতে এই চরম শাস্তি কার্যকর করা হয়েছিল। কাজাখস্তান এবং তাজিকিস্তানে ব্যতিক্রমী অপরাধে এই সাজা দেওয়া হয়। আফ্রিকায় বৎসোয়ানা, মিসর, লিবিয়া, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান এবং নাইজিরিয়ায় মৃতু্যদন্ড দেওয়া হয়। শাদ ২০১৪ সালে মৃতু্যদন্ড তুলে দিলেও, পরের বছর ১০ জঙ্গিকে মৃতু্যদন্ড সাজা দেয়। উত্তর আমেরিকায় শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই এই সাজা বলবৎ রয়েছে। তবে গোটা যুক্তরাষ্ট্র নয়- সে দেশের ৫০টি প্রদেশের ২৯টিতে এই সাজার অস্তিত্ব রয়েছে।

মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকায় বেলিজ এবং গায়ানাতে রয়েছে মৃতু্যদন্ড। ব্রাজিল, চিলি, এল সালভাদোর, গুয়াতেমালা এবং পেরুতে ব্যতিক্রমী এবং বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এই সাজা দেওয়া হয়। সমুদ্রেঘেরা ক্রান্তীয় অঞ্চল ওশিয়ানিয়ায় শুধু পাপুয়া নিউগিনি এবং টঙ্গোতে এখনো খাতা-কলমে প্রাণদন্ডের আইন রয়েছে। তবে শেষ ৩ দশকে এই দুই দেশে কোনো চরম শাস্তি কার্যকর হয়নি।

 

সূত্রঃ ইন্টারনেট

খোশবাস বার্তা

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

এক পেইজে ই- খোশবাস বার্তা

খোশবাস বার্তা

অনলাইন জরিপ

স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে ঈদুল আজহার পশুর হাট বসা সম্ভব বলে মনে করেন কি?

ফলাফল দেখুন

Loading ... Loading ...
corona safety
সত্বাধিকার © খোশবাস বার্তা ২০১৬- ২০২০
ডেভেলপ করেছেন আসিফ ইকবাল লি.
themesbazar_khos5417